ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৫ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ

  • বিজনেস রিপোটার
  • আপডেট সময় ১২:০৮:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর টহল জোরদারকরণ সহ জেলেদের মধ্যে সচেতনতার জন্য স্পিডবোট যোগে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিনের জন্য সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার।

৭ এপ্রিল সকালে কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৬’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়।

‘জাটকা ধরা থামাই যদি, ইলিশে ভরবে সাগর-নদী’ প্রতিপাদ্যে ৭ এপ্রিল থেকে ১৩ এপ্রিল পালিত হবে এই ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ।

জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালীন কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ বিষয়ক এ সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরান হোসাইন সজীব।

সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, জাটকা আহরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুদ করা থেকে বিরত থাকতে সবাইকে সচেতন করা জরুরী। জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ চলাকালীন সময়ে সাগর থেকে বাজার পর্যন্ত চলবে নজরদারি।

এ ছাড়া প্রজনন মৌসুমে জাটকা ধরা, পরিবহন ও বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানান তিনি। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো নাজমুল হুদা।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুজয় পাল, কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ও পাইকারী মৎস্য বাজার এর ব্যবস্থাপক আশীষ কুমার বৈদ্য, জেলা মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি শওকত ওসমান, জেলা ফিশিং বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা।

এ সময় র‍্যাব, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, উপজেলা মৎস্য অফিসার, মৎস্য সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ইলিশসহ সকল প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ ধরা, আহরণ ও বেচাকেনা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

এ সময়ে ফিশিং বোটে জ্বালানী সরবরাহ ও বরফকল বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি জেলেদের খাদ্য নিশ্চিত করার পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়।

এ ছাড়া গভীর সমুদ্রে এ সময় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর টহল জোরদারকরণ সহ জেলেদের মধ্যে সচেতনতার জন্য স্পিডবোট যোগে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ট্যাগস :

টেকনাফ স্থলবন্দর চালু: নিরাপত্তা ও বাস্তবতা নিয়ে ব্যবসায়ীদের সংশয়

১৫ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ

আপডেট সময় ১২:০৮:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর টহল জোরদারকরণ সহ জেলেদের মধ্যে সচেতনতার জন্য স্পিডবোট যোগে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিনের জন্য সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার।

৭ এপ্রিল সকালে কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৬’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়।

‘জাটকা ধরা থামাই যদি, ইলিশে ভরবে সাগর-নদী’ প্রতিপাদ্যে ৭ এপ্রিল থেকে ১৩ এপ্রিল পালিত হবে এই ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ।

জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালীন কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ বিষয়ক এ সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরান হোসাইন সজীব।

সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, জাটকা আহরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুদ করা থেকে বিরত থাকতে সবাইকে সচেতন করা জরুরী। জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ চলাকালীন সময়ে সাগর থেকে বাজার পর্যন্ত চলবে নজরদারি।

এ ছাড়া প্রজনন মৌসুমে জাটকা ধরা, পরিবহন ও বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানান তিনি। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো নাজমুল হুদা।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুজয় পাল, কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ও পাইকারী মৎস্য বাজার এর ব্যবস্থাপক আশীষ কুমার বৈদ্য, জেলা মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি শওকত ওসমান, জেলা ফিশিং বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা।

এ সময় র‍্যাব, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, উপজেলা মৎস্য অফিসার, মৎস্য সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ইলিশসহ সকল প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ ধরা, আহরণ ও বেচাকেনা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

এ সময়ে ফিশিং বোটে জ্বালানী সরবরাহ ও বরফকল বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি জেলেদের খাদ্য নিশ্চিত করার পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়।

এ ছাড়া গভীর সমুদ্রে এ সময় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর টহল জোরদারকরণ সহ জেলেদের মধ্যে সচেতনতার জন্য স্পিডবোট যোগে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।