ফাইল ছবি
কক্সবাজারের টেকনাফ হোয়াইক্যং ছয় নম্বর মিনাবাজার পাহাড়ি এলাকা থেকে ছয় কৃষককে অপহরণের খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে কৃষি ক্ষেতে কাজ করতে যাওয়ার সময় পাহাড়ি অপহরণকারীরা তাদের জিম্মি করে নিয়ে যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, সকালে কৃষি কাজে যাওয়ার পথে পাহাড়ি অস্ত্রধারীরা কৃষকদের জিম্মি করে পাহাড়ের ভেতরের দিকে নিয়ে যায়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।দ্রুত অসহায় কৃষকদের উদ্ধারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে পুলিশ সূত্রে জানান, হোয়াইক্যং মিনাবাজার আশ্রয়ণ কেন্দ্র এলাকার ছয় কৃষক পাহাড়ি এলাকায় কৃষিকাজ করতে গেলে পাহাড়ি ডাকাত দল তাদের তুলে নিয়ে যায় বলে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা তাৎক্ষণিক ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অপহৃতদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ চলমান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোরে কৃষি ক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে স্থানীয় ছয় কৃষককে অপহরণ হয়। এখনো পর্যন্ত অপহরণকারীদের পক্ষ থেকে কোনো মুক্তিপণের দাবি পাওয়া যায়নি। অপহৃত কৃষকদের পরিবার চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের ভাষ্য, নির্বাচনি সময়ে প্রশাসনের ব্যস্থতার সুযোগে পাহাড়ি সশস্ত্র অপহরণ চক্র বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে। নির্বাচনের পাশাপাশি পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের দিকে প্রশাসনের তীক্ষভাবে নজরদারি করতে। না হয় অপহরণচক্রের হাতে পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত বাসিন্দারা একের পর অপহরণের শিকার হয়ে মুক্তিপণ দিতে হবে। অন্যথায় লাশ হয়ে ফিরবে অপহরণ চক্রের হাত থেকে।
পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের দমনে প্রশাসনের কাছে জোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
অপহৃত কৃষকরা হলেন মিনাবাজারের টেকপাড়ার মৃত সুলতান ফকিরের পুত্র মো. জমির (৬২), রবিউল আলমের পুত্র শফি আলম (১৩), এজাহার হোসেনের পুত্র মোহাম্মদ আলম ওরফে মাহাত আলম (১৮), মৃত শামসুল আলমের পুত্র জাহিদ হোসেন ওরফে মুন্না (৩০), ঝিমংখালী আশ্রয়ণ প্রকল্পের মোজাহের (৬০) ও মোস্তাক (১২)।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কক্সবাজার 















