ঢাকা ১১:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

আজ পবিত্র শবে মেরাজ

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৪ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ বা শবে মেরাজ আজ। ইসলাম ধর্মের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ এই রাতটি ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে পালন করবেন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

শবে মেরাজ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের এক ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই ঘটনাতেই মুসলমানদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হয়। আল্লাহর নির্দেশ নিয়ে এ রাতেই প্রিয় নবী (সা.) প্রতিদিন পাঁচবার সালাত আদায়ের বিধান মানবজাতির কাছে পৌঁছে দেন।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, নবুওয়াতের দশম বছরে বা ৬২১ খ্রিষ্টাব্দে এক রাতে হযরত মুহাম্মদ (সা.) পবিত্র কাবা শরিফ থেকে জেরুজালেমের বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদুল আকসায় গমন করেন। সেখানে তিনি নবীদের জামাতে ইমামতি করেন। কুরআনে বর্ণিত এই ঘটনাকে বলা হয় ‘ইসরা’।

এরপর তিনি ‘বুরাক’ নামক বিশেষ বাহনে আরোহন করে ঊর্ধ্বাকাশে গমন করেন, যা ‘মেরাজ’ নামে পরিচিত। এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফেরেশতা হযরত জিবরাইল (আ.)। এ সময় তিনি সিদরাতুল মুনতাহা, বেহেশতের নদীসমূহ, ফেরেশতাদের ইবাদতখানা বায়তুল মা’মুরসহ বিভিন্ন নিদর্শন পরিদর্শন করেন এবং মহান আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্য লাভ করেন।

এই পবিত্র রাত উপলক্ষে মুসলমানরা মসজিদে-মসজিদে, নিজ নিজ ঘরে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আযগার, নফল নামাজ ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা কামনা করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে বৈশাখী বর্ষবরণ আনন্দ আয়োজন করেছেন এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন

আজ পবিত্র শবে মেরাজ

আপডেট সময় ০৮:০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ বা শবে মেরাজ আজ। ইসলাম ধর্মের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ এই রাতটি ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে পালন করবেন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

শবে মেরাজ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের এক ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই ঘটনাতেই মুসলমানদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হয়। আল্লাহর নির্দেশ নিয়ে এ রাতেই প্রিয় নবী (সা.) প্রতিদিন পাঁচবার সালাত আদায়ের বিধান মানবজাতির কাছে পৌঁছে দেন।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, নবুওয়াতের দশম বছরে বা ৬২১ খ্রিষ্টাব্দে এক রাতে হযরত মুহাম্মদ (সা.) পবিত্র কাবা শরিফ থেকে জেরুজালেমের বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদুল আকসায় গমন করেন। সেখানে তিনি নবীদের জামাতে ইমামতি করেন। কুরআনে বর্ণিত এই ঘটনাকে বলা হয় ‘ইসরা’।

এরপর তিনি ‘বুরাক’ নামক বিশেষ বাহনে আরোহন করে ঊর্ধ্বাকাশে গমন করেন, যা ‘মেরাজ’ নামে পরিচিত। এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফেরেশতা হযরত জিবরাইল (আ.)। এ সময় তিনি সিদরাতুল মুনতাহা, বেহেশতের নদীসমূহ, ফেরেশতাদের ইবাদতখানা বায়তুল মা’মুরসহ বিভিন্ন নিদর্শন পরিদর্শন করেন এবং মহান আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্য লাভ করেন।

এই পবিত্র রাত উপলক্ষে মুসলমানরা মসজিদে-মসজিদে, নিজ নিজ ঘরে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আযগার, নফল নামাজ ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা কামনা করেন।