ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

কোটবাজার ভাড়া বাসা থেকে এনজিও কর্মীর মরদেহ উদ্ধার

উখিয়া প্রতিবেদক


উখিয়ার কোটবাজারে আবদুল্লাহ আল মাসুদ নামের এক এনজিও কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা করছেন তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

বুধবার (১৫ মে) রাতে উখিয়া উপজেলার কোটবাজার দক্ষিণ স্টেশনের ঝাউতলার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ওই বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন আবদুল্লাহ আল মাসুদ। তিনি এনআরসি নামে একটি এনজিওতে চাকরি করেন বলে জানা গেছে।

মৃত আবদুল্লাহ আল মাসুদ বড় মহেশখালীর ফকিরাঘোনা এলাকার সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক মোহাম্মদ শফির ছেলে।

রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সেলিম কায়সার বাংলার সীমান্তকে জানান, ৫ মাস আগে মাসুদ এ বাসাটি ভাড়া নেন। প্রতিদিন মোটর থেকে পানি নিতেন তিনি। বুধবার পানির জন্য না এলে বাসার মালিকসহ স্থানীয়রা খোঁজ নিতে গিয়ে জানালা দিয়ে দেখতে পান উপরে একটি রশি ঝুলছে, নিচে একটি চেয়ারে তার মরদেহ পড়ে আছে। তখন তারা পুলিশকে খবর দেন।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন বলেন, তিনি যে আত্মহত্যা করেছেন তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার পরিবারের সদস্যদের কোনো অভিযোগ না থাকায় বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে বৈশাখী বর্ষবরণ আনন্দ আয়োজন করেছেন এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন

কোটবাজার ভাড়া বাসা থেকে এনজিও কর্মীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৯:২৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪

উখিয়া প্রতিবেদক


উখিয়ার কোটবাজারে আবদুল্লাহ আল মাসুদ নামের এক এনজিও কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা করছেন তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

বুধবার (১৫ মে) রাতে উখিয়া উপজেলার কোটবাজার দক্ষিণ স্টেশনের ঝাউতলার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ওই বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন আবদুল্লাহ আল মাসুদ। তিনি এনআরসি নামে একটি এনজিওতে চাকরি করেন বলে জানা গেছে।

মৃত আবদুল্লাহ আল মাসুদ বড় মহেশখালীর ফকিরাঘোনা এলাকার সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক মোহাম্মদ শফির ছেলে।

রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সেলিম কায়সার বাংলার সীমান্তকে জানান, ৫ মাস আগে মাসুদ এ বাসাটি ভাড়া নেন। প্রতিদিন মোটর থেকে পানি নিতেন তিনি। বুধবার পানির জন্য না এলে বাসার মালিকসহ স্থানীয়রা খোঁজ নিতে গিয়ে জানালা দিয়ে দেখতে পান উপরে একটি রশি ঝুলছে, নিচে একটি চেয়ারে তার মরদেহ পড়ে আছে। তখন তারা পুলিশকে খবর দেন।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন বলেন, তিনি যে আত্মহত্যা করেছেন তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার পরিবারের সদস্যদের কোনো অভিযোগ না থাকায় বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।