ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo উখিয়ায় খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় মহিলা দলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo চট্টগ্রামে ১১ জেলায় নতুন এসপি হলেন যারা Logo জামায়াতের বৈঠকে খালেদা জিয়া ও ডা. তাহেরের জন্য দোয়া Logo উখিয়ার দুই সন্তানের পিতা মামুন বিরল রোগে মানসিক ভারসাম্যহীন, ব্যয়বহুল চিকিৎসায় দরকার মানবিক সহায়তা Logo চট্টগ্রামে বিয়ে বাড়ি ডাকাতি, স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট Logo আগামী কাল চট্টগ্রামে আসছেন আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান Logo চট্টগ্রামে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল অস্ত্র-গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫ Logo চট্টগ্রামে ফের দুর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ল কৃষকের পাকা ধান Logo উখিয়ায় উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ অভিযানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ।  Logo উখিয়ায় বিদ্যুতিক ফাঁদে একের পর এক বন্যহাতি হত্যা, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগকে দায়ী করছে বন বিভাগ।

হারিয়ে যাচ্ছে গরু দিয়ে ধান মাড়াই

  • মরজান আহমদ
  • আপডেট সময় ০৫:৪৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪
  • ৩১৩ বার পড়া হয়েছে

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে এক সময়ের গ্রামবাংলার ঐহিত্য গরুর দিয়ে ধান মাড়াই। ২০ বছর আগেও এই পদ্ধতি চালু ছিল। কিন্তু কৃষি ক্ষেত্রে আধুনিকতায় এখন ধান রোপণ, কাটা, মাড়াই এমনকি ধান থেকে চাল তৈরিসহ প্রত্যেকটা কাজই যন্ত্রের সাহায্যে হচ্ছে। তাই গরু আর লাঙ্গল টানা সেই জরাজীর্ণ কৃষকদের এখন আর দেখা যায় না।

আমাদের দেশ বাংলাদেশ নানা রং ও ছয় ঋতুর দেশ। শস্য শ্যামলা নদীমাতৃক রাখাল বালকের সুরলয় বাশির সুর ভাওয়াইয়া সুরের গান, কৃষকের উদার জমিন, সব মিলিয়ে ছয়টি ঋতু । আর দেখলে মনে হয় একটি রঙিন দেশ। এ দেশের মানুষ গুলোর ঘুম ভাঙ্গে নানা পাখির নানান সুরে ডাকে। প্রাকৃতির বিভিন্নতায় পরিবর্তন হয় ঋতুর । প্রাকৃতির বিভিন্নতায় এখন এসেছে হেমন্তকাল। মাঠের ধানের ক্ষেতে সোনা রঙ ধরেছে। মাঠে, ঘরে কৃষকরা ধান কাটার উৎসবে মেতে উঠেছে । কৃষকরা দিনে হাজার ব্যস্ততা সেরে রাতভর করে ধান মাড়াই এর কাজ।

শত ব্যস্ততা অনেক কষ্টের পরেও কৃষাণ ও কৃষাণী মহা আনন্দ আর খুশি। নতুন চালের নতুন নতুন খাবারের গন্ধ ভেসে আসে প্রায় প্রতিটি কৃষকসহ সবার ঘর থেকে। তবে আধুনিক থেকে অত্যাধুনিক কালের ছোঁয়া লেগেছে কৃষি ক্ষেত্রেও । ধান রোপন, ধান কাটা, ধান মাড়াই থেকে চাল বানা প্রতিটি ক্ষেত্রে ছোঁয়া লেগেছে বিজ্ঞান এর নতুন নতুন আবিষ্কারের। গরু দিয়ে লাঙ্গল টানা, মই দেয়া সেই কাদামাখা  জরাজীর্ণ অবস্থার কৃষককে আর দেখা যায় না। হালের গরুর সাহায্য আর আকাশের পানির অপেক্ষা করে না কোন কৃষক । সেচ দিয়ে পানি আর ট্রাক্টর দিয়ে হাল চাষ করে চাহিদা মেটাচ্ছে কৃষকরা।

অল্প সময়ে জমি প্রস্তুত করে ফেলছে। রোদে শরীরের ঘাম ঝরিয়ে জমিতে বীজ ছিটাতে আর হয় না। তার জন্য আধুনিক সব যন্ত্রপাতি দ্বারা জমিতে বীজ বোপন ও ছিটাচ্ছে । প্রতিনিয়ত বাজারে নতুন নতুন কীটনাশক আসছে যখন যেটা প্রয়োজন পরীক্ষা করে কীটনাশক ব্যবহার করছে। ধানের আগাছা পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার হচ্ছে যন্ত্র। ধান মাঠ থেকে কাটার ক্ষেত্রেও ব্যবহার হচ্ছে যন্ত্র। পান্তা খেয়ে সারা দিন ব্যাপী কৃষককে রোদে ঘাম ঝরিয়ে আর ধান কাটতে হয় না । কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন গ্রামে ১০/১২ বছর আগে কৃষকই গরু দিয়ে ধান মাড়াই করত। এখন আর দেখা যায় না। কৃষকদের সাথে কথা বললে তারা বলে গরু দিয়ে ধান মাড়াই এর ঐতিহ্য কেন এই অত্যাধুনিকতায় দেশের অনেক ঐতিহ্যইতো হারিয়ে গেছে।

উখিয়ায় খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় মহিলা দলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

হারিয়ে যাচ্ছে গরু দিয়ে ধান মাড়াই

আপডেট সময় ০৫:৪৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে এক সময়ের গ্রামবাংলার ঐহিত্য গরুর দিয়ে ধান মাড়াই। ২০ বছর আগেও এই পদ্ধতি চালু ছিল। কিন্তু কৃষি ক্ষেত্রে আধুনিকতায় এখন ধান রোপণ, কাটা, মাড়াই এমনকি ধান থেকে চাল তৈরিসহ প্রত্যেকটা কাজই যন্ত্রের সাহায্যে হচ্ছে। তাই গরু আর লাঙ্গল টানা সেই জরাজীর্ণ কৃষকদের এখন আর দেখা যায় না।

আমাদের দেশ বাংলাদেশ নানা রং ও ছয় ঋতুর দেশ। শস্য শ্যামলা নদীমাতৃক রাখাল বালকের সুরলয় বাশির সুর ভাওয়াইয়া সুরের গান, কৃষকের উদার জমিন, সব মিলিয়ে ছয়টি ঋতু । আর দেখলে মনে হয় একটি রঙিন দেশ। এ দেশের মানুষ গুলোর ঘুম ভাঙ্গে নানা পাখির নানান সুরে ডাকে। প্রাকৃতির বিভিন্নতায় পরিবর্তন হয় ঋতুর । প্রাকৃতির বিভিন্নতায় এখন এসেছে হেমন্তকাল। মাঠের ধানের ক্ষেতে সোনা রঙ ধরেছে। মাঠে, ঘরে কৃষকরা ধান কাটার উৎসবে মেতে উঠেছে । কৃষকরা দিনে হাজার ব্যস্ততা সেরে রাতভর করে ধান মাড়াই এর কাজ।

শত ব্যস্ততা অনেক কষ্টের পরেও কৃষাণ ও কৃষাণী মহা আনন্দ আর খুশি। নতুন চালের নতুন নতুন খাবারের গন্ধ ভেসে আসে প্রায় প্রতিটি কৃষকসহ সবার ঘর থেকে। তবে আধুনিক থেকে অত্যাধুনিক কালের ছোঁয়া লেগেছে কৃষি ক্ষেত্রেও । ধান রোপন, ধান কাটা, ধান মাড়াই থেকে চাল বানা প্রতিটি ক্ষেত্রে ছোঁয়া লেগেছে বিজ্ঞান এর নতুন নতুন আবিষ্কারের। গরু দিয়ে লাঙ্গল টানা, মই দেয়া সেই কাদামাখা  জরাজীর্ণ অবস্থার কৃষককে আর দেখা যায় না। হালের গরুর সাহায্য আর আকাশের পানির অপেক্ষা করে না কোন কৃষক । সেচ দিয়ে পানি আর ট্রাক্টর দিয়ে হাল চাষ করে চাহিদা মেটাচ্ছে কৃষকরা।

অল্প সময়ে জমি প্রস্তুত করে ফেলছে। রোদে শরীরের ঘাম ঝরিয়ে জমিতে বীজ ছিটাতে আর হয় না। তার জন্য আধুনিক সব যন্ত্রপাতি দ্বারা জমিতে বীজ বোপন ও ছিটাচ্ছে । প্রতিনিয়ত বাজারে নতুন নতুন কীটনাশক আসছে যখন যেটা প্রয়োজন পরীক্ষা করে কীটনাশক ব্যবহার করছে। ধানের আগাছা পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার হচ্ছে যন্ত্র। ধান মাঠ থেকে কাটার ক্ষেত্রেও ব্যবহার হচ্ছে যন্ত্র। পান্তা খেয়ে সারা দিন ব্যাপী কৃষককে রোদে ঘাম ঝরিয়ে আর ধান কাটতে হয় না । কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন গ্রামে ১০/১২ বছর আগে কৃষকই গরু দিয়ে ধান মাড়াই করত। এখন আর দেখা যায় না। কৃষকদের সাথে কথা বললে তারা বলে গরু দিয়ে ধান মাড়াই এর ঐতিহ্য কেন এই অত্যাধুনিকতায় দেশের অনেক ঐতিহ্যইতো হারিয়ে গেছে।