ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকা ১৪ আসনে এমপি পদপ্রার্থী জাফর মাহমুদের ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প Logo টেকনাফের শাহপরীতে ইঞ্জিন বিকল হওয়া বোটসহ ৪৫ জন যাত্রীকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড Logo রাজনৈতিক দলে সাংবাদিকদের ভূমিকা: দলীয় পদ নাকি পেশাদারিত্ব Logo টেকনাফে কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে গোলা-বারুদসহ দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার Logo মাধবপুরের মেধাবী ছাত্র সাইফুল ইসলামকে মিথ্যা মামলায় আটক: মুক্তির দাবীত গণসমাবেশ করেছে এললাকাবাসী Logo উখিয়ায় বন বিভাগের অভিযানে চিরাই কাঠভর্তি অবৈধ ডাম্পার গাড়ি আটক Logo উখিয়ায় খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ওলামা দলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে সিএনজি তল্লাশি, ৮০ হাজার পিস ইয়াবা সহ যুবক আটক Logo উখিয়ায় খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় মহিলা দলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo চট্টগ্রামে ১১ জেলায় নতুন এসপি হলেন যারা
বান্দরবান

কোনো সন্ত্রাসীকে ছাড় দেওয়া হবে না: সেনাপ্রধান

পার্বত্য অঞ্চল বান্দরবানে ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করেছে। সেই সঙ্গে দুটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

দুই দিনে তিন ব্যাংকে ডাকাতি, অপহরণ ও বন্দুকযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রোববার দুপুরে বান্দরবান সেনা রিজিয়ন মাঠে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সেনাপ্রধান রুমা ও থানচি উপজেলায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

সেনাপ্রধান বলেন, “পাহাড়ের সশস্ত্র দল কেএনএফ (কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট) শান্তি আলোচনা আমরা একটু বিশ্বাস করেছিলাম। (ভেবেছিলাম) শান্তি আলোচনা হচ্ছে, যেহেতু শান্তি আলোচনা শেষ হয়নি, শান্তির ভেতরেই শেষ হবে। কিন্তু তারা ভেতরে ভেতরে ‘ষড়যন্ত্র’ করেছে, যার কারণে এই অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, আপনারা হয়তো জেনেছেন গত রাতে কিছু সন্ত্রাসীকে ধরতে সক্ষম হয়েছে আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কিছু অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। একটা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দৃশ্যমান কিছু কার্যক্রম আপনারা দেখতে পাবেন। এর ফল আপনারা সময় মতো পাবেন।

তিনি সাংবাদিকদের আরও বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের শান্তির জন্য, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য যা করণীয়, প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ; সেটাই করতে হবে। সেটা বাস্তবায়নে আমরা সক্ষম হবো বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করছি এবং পাহাড়ে কোনো সন্ত্রাসী দলকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

ইতোমধ্যে অভিযান শুরু হয়ে গেছে জানিয়ে জেনারেল শফিউদ্দিন বলেন, “আতঙ্ক দূর করার জন্য আমরা সশরীরে এখানে এসেছি। যা আমাদের করণীয়, সর্বাত্মকভাবে করছি। ইনশাল্লাহ জনগণের মধ্যে শান্তি ফিরে আসবে।”

উল্লেখ্য, রুমা ও থানচিতে আজও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আতঙ্ক কাটেনি দুই উপজেলাবাসীর। এসব তাণ্ডবের ঘটনায় মামলার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল আটটি। তার মধ্যে রুমায় চারটি ও থানচিতে চারটি। সবগুলো মামলায় আসামি অজ্ঞাতনামা।

ট্যাগস :

বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকা ১৪ আসনে এমপি পদপ্রার্থী জাফর মাহমুদের ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প

বান্দরবান

কোনো সন্ত্রাসীকে ছাড় দেওয়া হবে না: সেনাপ্রধান

আপডেট সময় ০৩:৪১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ এপ্রিল ২০২৪

পার্বত্য অঞ্চল বান্দরবানে ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করেছে। সেই সঙ্গে দুটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

দুই দিনে তিন ব্যাংকে ডাকাতি, অপহরণ ও বন্দুকযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রোববার দুপুরে বান্দরবান সেনা রিজিয়ন মাঠে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সেনাপ্রধান রুমা ও থানচি উপজেলায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

সেনাপ্রধান বলেন, “পাহাড়ের সশস্ত্র দল কেএনএফ (কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট) শান্তি আলোচনা আমরা একটু বিশ্বাস করেছিলাম। (ভেবেছিলাম) শান্তি আলোচনা হচ্ছে, যেহেতু শান্তি আলোচনা শেষ হয়নি, শান্তির ভেতরেই শেষ হবে। কিন্তু তারা ভেতরে ভেতরে ‘ষড়যন্ত্র’ করেছে, যার কারণে এই অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, আপনারা হয়তো জেনেছেন গত রাতে কিছু সন্ত্রাসীকে ধরতে সক্ষম হয়েছে আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কিছু অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। একটা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দৃশ্যমান কিছু কার্যক্রম আপনারা দেখতে পাবেন। এর ফল আপনারা সময় মতো পাবেন।

তিনি সাংবাদিকদের আরও বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের শান্তির জন্য, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য যা করণীয়, প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ; সেটাই করতে হবে। সেটা বাস্তবায়নে আমরা সক্ষম হবো বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করছি এবং পাহাড়ে কোনো সন্ত্রাসী দলকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

ইতোমধ্যে অভিযান শুরু হয়ে গেছে জানিয়ে জেনারেল শফিউদ্দিন বলেন, “আতঙ্ক দূর করার জন্য আমরা সশরীরে এখানে এসেছি। যা আমাদের করণীয়, সর্বাত্মকভাবে করছি। ইনশাল্লাহ জনগণের মধ্যে শান্তি ফিরে আসবে।”

উল্লেখ্য, রুমা ও থানচিতে আজও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আতঙ্ক কাটেনি দুই উপজেলাবাসীর। এসব তাণ্ডবের ঘটনায় মামলার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল আটটি। তার মধ্যে রুমায় চারটি ও থানচিতে চারটি। সবগুলো মামলায় আসামি অজ্ঞাতনামা।