কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের রুহুল্লার এলাকার মুজাফফর মিস্ত্রির ছেলে মোহাম্মাদ মামুন (২২) তিনি দীর্ঘদিন ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক চালিয়ে সংসার চালিয়েছেন, হঠাৎ এক বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে। অনেকদিন ধরে জটিল এই রোগে ভোগার পর এখন তিনি সম্পূর্ণ চিকিৎসাহীন অবস্থায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন বলে জানায় পরিবার।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রথমে হঠাৎ আচরণ পরিবর্তন ও অস্বাভাবিক শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হন মামুন। চিকিৎসার জন্য তাকে একাধিকবার কক্সবাজারের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও উন্নতি হয়নি। ডাক্তাররা জানান, মামুনের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদী এবং ব্যয়বহুল, নিয়মিত থেরাপি ও উন্নতমানের ওষুধ প্রয়োজন।
এখন পর্যন্ত চিকিৎসার খরচ জোগাতে একটি টমটম গাড়ি এবং দুইটি গরু বিক্রি করেছে পরিবার। দীর্ঘদিন চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে তারা এখন নিঃস্ব।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন মামুন। তার অসুস্থতায় দুই শিশু সন্তান এখন অসহায় ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছে।
মামুনের বাবা-মা ও স্বজনরা কাঁদতে কাঁদতে বলেন, সবার সহযোগিতা পেলে হয়তো আমাদের ছেলেটা আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে। দুইটি বাচ্চা বাবাকে হারাবে না, এই আশায় আমরা মানুষের কাছে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছি।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রতিবেশীরাও বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিবারটি এখন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত অবস্থায় আছে, দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা না হলে মামুনের অবস্থা আরও গুরুতর হয়ে পড়বে।
একজন বাবা, একজন সন্তান, একজন পরিবারের স্বপ্ন, মৃত্যুর অপেক্ষায় নয়, চিকিৎসা পাওয়ার অপেক্ষায়।
দুইটির শিশুর ভবিষ্যতের কথা ভেবে মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসুন। একটুকু সাহায্য হয়তো একজন মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে।
মানবতার জয় হোক, মামুনকে বাঁচাতে সমাজ, প্রবাসী, মানবিক সংগঠন ও বিত্তশালী ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান।
নিচে পরিবারের একটি বিকাশ নাম্বার দেওয়া হয়েছে, আপনারা যে যতটুকু পারেন সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়ান।
পরিবারের সাথে কথা বলে আপনার আর্থিক সহযোগিতা প্রধান করুন।
নগদ পার্সোনাল-01812-404217
মোহাম্মদ রাশেদ 


















