কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার বাকই ইউনিয়নের কোটইশা (বলা বাড়ী) গ্রামের আঃ জব্বারের পুত্র মেহেদি হাছানকে হত্যার বিচার চাওয়ায় সন্ত্রাসী হত্যাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি হয়রানী করায় ঘটনার বিষয়ে অধিকতর সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত মূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছে মর্মে আঃ জব্বার বিভাগীয় কমিশনার ও ডি আই জি চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ, চট্টগ্রাম এবং জেলা প্রশাসক কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার কুমিল্লা বরাবর পৃথক অভিযোগ দাখিল করেন। পুত্র মেহেদী হাসান হত্যা কান্ড বিচার চাওয়ায় আসামীরা, হামলা হয়রানী করে আসছে এবং জীবন নাশের হুমকি প্রদান করেছে বলে গত ৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। উল্লিখিত অভিযোগে নিন্মোক্ত বিবাদীদ্বয় হলো ১) বাছেদ হোসেন (২৪) পিতা। আব্দুল মালেক, ২) আবদুল মালেক (৬০) পিতামৃত: ইয়াছিন মিয়া, ৩) রহিমা বেগম (৫১) স্বামী: আবদুল মালেক, ৪) কবির হোসেন (৫৫) পিতা: সাদেক মিয়া, ৫) আলী আকবর (৪৫) পিতা: মোহাম্মদ মিয়া, ৬) দুলাল মিয়া (৫১) পিতামৃত: সালু মিয়া, ৭) মোঃ মাহবুব (৫৬) পিতাঃ আম্বর আলী, ৮) আবদুল আউয়াল (৬৫) (আবুল চেয়ারম্যান) বাকই ইউনিয়ন, ৯) কুমিল্লার লাকসাম থানা দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসারগন কুমিল্লা জেলা পুলিশ ও অজ্ঞাত ৭/৮ জন অপরাধী, সর্ব সাং কোটইশা, থানা: লাকসাম, জেলাঃ কুমিল্লা।
অভিযোগঃ ভিকটিমঃ আমার পুত্র মেহেদী হাসান (২১) প্রথম বিবাদীর সাথে জন্মের পর থেকে বেড়ে উঠে ও অন্যেন্য বিবাদীদের সাথে নিয়মিত ভাবে অপরের সাথে চলা ফেরা করে আসছে। আমি একজন দিনমজুর রাজ মিস্ত্রি কাজ করে সংসার চালাই। গভীর ষড়যন্ত্র করে আসামীয়া আমার পুত্র মেহেদী হাসান কে হত্যা করে ৮ নং বিবাদীর নিয়ন্ত্রিত সীমানায় পড়ে থাকতে পাওয়া যায়। বিগত ১৩/০৬/২০২৩ ইং সংঘবদ্ধ চক্রের খুনিরা যে কোন সময় উক্ত ঘটনা ঘটাইয়াছে। উক্ত বিষয়ে লাকসাম থানায় হত্যা অভিযোগ হয়, মামলা নং ০৪, তারিখ: ১৬/০৬/২০২৩ইং, ধারা ১৬/৩৪ দঃ বিধি রুজু হলে পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করিয়া জেল হাজতে প্রেরণ করেন। অন্যরা প্রকাশ্যে এলাকা অবাধে ঘুরে চলাফেরা করছে এবং মালা করার কারনে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিতে পরিবারের সকল সদস্যরা রয়েছি। প্রতিনিয়ত আমাকে ও পরিবারের অন্য সদস্যদের দেখলেই গালমন্দ করে হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে। মামলা প্রত্যাহার না করিলে তারা নিজেরা বা সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে বড় ধরনের ক্ষতি কারার সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে বলে আমি মনে করছি। বিগত ১৬ ই জানুয়ারী ২০২৫ইং এতদ বিয়য়ে আপনার দপ্তরে একটি অভিযোগ দাখিল করিয়াছি, অভিযোগ থানা প্রশাসনিক ভাবে পুলিম তদন্ত করে কোন সুরাহ করেনি। গত ৮ই নভেম্বর ৫নং বিবাদী অজ্ঞাত ৩জন সহ জুমার নামার শেষে মামলা প্রত্যাহার করার হুমকি, গালমন্দ ও চর থাপ্পার, কিল, গুষী, এবং গলা চেপে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। আমার চিৎকারে পথচারীরা এগিয়ে আসায় প্রাণে রক্ষা পাই। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মাধ্যমে প্রশাসনিক ভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরী। অভিযোটি কুমিল্লা জেলা সহকারী পুলিশ সুপার লাকসাম সার্কেল তদন্ত করছেন। এহেন ঘটনায় সুষ্ঠ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের জোর দাবী জানানো হয়।
স্টাফ রিপোটার 
















