ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বঙ্গোপসাগরে ধরা পরল ৩০ লাখ টাকার নাগুমাছ

বঙ্গোপসাগরে একটি মাছ ধরার ট্রলারে জেলেদের জালে ৬০০পিস ধরা পড়েছে জায়ান্ট কিং ফিশ। স্থানীয় ভাষায় এটি ‘নাগু মাছ’ নামে পরিচিত। ছোট-বড় মিলিয়ে মাছগুলোর ওজন প্রায় ১১০টন। এর মধ্যে মধ্যে ১২থেকে ১৫কেজি ওজনের থেকে ১৭ কেজির ৬০০টি মাছ রয়েছে। মাছগুলো ৩০লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

শনিবার (৩১জানুয়ারি) বিকালে সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদিয়ার পূর্ব-দক্ষিণের কাছাকাছি বাংলাদেশ জলসীমানার মৌলভীর শীল নামক স্থানে মাছগুলো ধরা পড়ে এমভি ছালে আহম্মদ নামের মালিকানাধীন ট্রলারে।পরে মাছগুলো প্রতি কেজি ৪০০টাকা দামে বিক্রি করেছেন স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীদের কাছে।

ফিশিং ট্রলারের মাঝি ইমান হোসেন বলেন, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদিয়ার পূর্ব-দক্ষিণের কাছাকাছি বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমানার মৌলভীশীল নামক এলাকায় গিয়ে জাল ফেলি। কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষার পরে বিকালে মাছের বিশাল ঝাঁকটি জালে আটকা পড়লে সাগরের পানি নড়াচড়া করতে দেখা যায়। তখন জেলেরা বুঝতে পারেন জালে বড় যেকোনও ধরনের মাছের ঝাঁক আটকা পড়েছে। পরে আশেপাশের জেলেদের খবর দিয়ে জাল টানা শুরু করলে কিছুক্ষণ পরেই নজরে আসে নাগুমাছের ঝাঁক। প্রতিটি মাছের ওজন১২থেকে১৫কেজি ও ১১থেকে ১৭কেজি পর্যন্ত। রাত ৯টার দিকে ট্রলারটি টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ঘাটে পৌঁছালে মাছগুলো এক নজর দেখার জন্য স্থানীয় লোকজন ভিড় জমায়। পরে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী ছৈয়দ আলমসহ কয়েকজন মিলে প্রতি কেজি ৪০০টাকা দামে মাছগুলো ক্রয় করেন।

মাছ ব্যবসায়ী ছৈয়দ আলম বলেন,আমরা কয়েকজন মিলে৬০০ পিস (তিন টন)মাছ ক্রয় করেছি। এসব মাছ ঢাকা-চট্টগ্রামে সরবরাহের পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে আকার ভেদে প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হবে। এ মাছের কদর রয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রামের হাট বাজারগুলোতে।

টেকনাফ উপজেলার সহকারী মৎস্য কমকর্তা শহীদুল ইসলাম বলেন,স্থানীয়ভাবে নাগুমাছ হিসেবে পরিচিত মাছগুলো ‘জায়ান্ট কিং ফিশ’ প্রকৃতির মাছ। এ মাছের ইংরেজি নাম জায়ান্ট ট্রেভেলি।

ট্যাগস :

বঙ্গোপসাগরে ধরা পরল ৩০ লাখ টাকার নাগুমাছ

আপডেট সময় ১১:১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে একটি মাছ ধরার ট্রলারে জেলেদের জালে ৬০০পিস ধরা পড়েছে জায়ান্ট কিং ফিশ। স্থানীয় ভাষায় এটি ‘নাগু মাছ’ নামে পরিচিত। ছোট-বড় মিলিয়ে মাছগুলোর ওজন প্রায় ১১০টন। এর মধ্যে মধ্যে ১২থেকে ১৫কেজি ওজনের থেকে ১৭ কেজির ৬০০টি মাছ রয়েছে। মাছগুলো ৩০লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

শনিবার (৩১জানুয়ারি) বিকালে সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদিয়ার পূর্ব-দক্ষিণের কাছাকাছি বাংলাদেশ জলসীমানার মৌলভীর শীল নামক স্থানে মাছগুলো ধরা পড়ে এমভি ছালে আহম্মদ নামের মালিকানাধীন ট্রলারে।পরে মাছগুলো প্রতি কেজি ৪০০টাকা দামে বিক্রি করেছেন স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীদের কাছে।

ফিশিং ট্রলারের মাঝি ইমান হোসেন বলেন, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদিয়ার পূর্ব-দক্ষিণের কাছাকাছি বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমানার মৌলভীশীল নামক এলাকায় গিয়ে জাল ফেলি। কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষার পরে বিকালে মাছের বিশাল ঝাঁকটি জালে আটকা পড়লে সাগরের পানি নড়াচড়া করতে দেখা যায়। তখন জেলেরা বুঝতে পারেন জালে বড় যেকোনও ধরনের মাছের ঝাঁক আটকা পড়েছে। পরে আশেপাশের জেলেদের খবর দিয়ে জাল টানা শুরু করলে কিছুক্ষণ পরেই নজরে আসে নাগুমাছের ঝাঁক। প্রতিটি মাছের ওজন১২থেকে১৫কেজি ও ১১থেকে ১৭কেজি পর্যন্ত। রাত ৯টার দিকে ট্রলারটি টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ঘাটে পৌঁছালে মাছগুলো এক নজর দেখার জন্য স্থানীয় লোকজন ভিড় জমায়। পরে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী ছৈয়দ আলমসহ কয়েকজন মিলে প্রতি কেজি ৪০০টাকা দামে মাছগুলো ক্রয় করেন।

মাছ ব্যবসায়ী ছৈয়দ আলম বলেন,আমরা কয়েকজন মিলে৬০০ পিস (তিন টন)মাছ ক্রয় করেছি। এসব মাছ ঢাকা-চট্টগ্রামে সরবরাহের পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে আকার ভেদে প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হবে। এ মাছের কদর রয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রামের হাট বাজারগুলোতে।

টেকনাফ উপজেলার সহকারী মৎস্য কমকর্তা শহীদুল ইসলাম বলেন,স্থানীয়ভাবে নাগুমাছ হিসেবে পরিচিত মাছগুলো ‘জায়ান্ট কিং ফিশ’ প্রকৃতির মাছ। এ মাছের ইংরেজি নাম জায়ান্ট ট্রেভেলি।